ওমিক্রনের নতুন পরিস্থিতি নিয়ে যা জানালেন বিশেষজ্ঞরা

0
98

করোনার মহামারী সেই উনিশ থেকে শুরু হয়ে শেষের পথে আর হাটেনি। নতুন রূপে বারবার আঘাত করছে মানবদেহে। বিশ্বমহলে করোনার ইতি নিয়ে যেই স্বস্তির শ্বাস ছিলো তা আর হয়ে উঠতে পারে নি। নতুন এই ভ্যারিয়েন্ট বি.১.১.৫২৯ সার্স–কভ–২ চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে করোনা বিদায় নেয় নি।

করোনার নতুন ধরন ওমিক্রন দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রথম শনাক্ত হয়। বর্তমানে এটি বেশি ভয়ংকর ও শক্তিশালী বলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডাব্লিউএইচও) উদবেগ প্রকাশের সাথে সাথে সতর্ক বার্তাও দিচ্ছে।
ওমিক্রনকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘উদ্বেগজনক ভ্যারিয়েন্ট’ হিসেবে ঘোষণা করেছে ডাব্লিউএইচও। 

বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ সীমান্ত বন্ধসহ নানা পদক্ষেপ নিয়েছে নতুন এই ভ্যারিয়েন্টের বিস্তার রোধে। এটি প্রথম শনাক্ত করেন দক্ষিণ আফ্রিকার চিকিৎসক অ্যাঞ্জেলিক কোয়েটজি। ডেলটার চেয়ে ভিন্ন একটি করোনার ভ্যারিয়েন্ট হিসেবে তিনি শনাক্ত করেন। ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের উপসর্গের ব্যাপারে যেই তথ্য জানান তা বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে উঠে আসে। গত ১৮ নভেম্বর তিনি তার ক্লিনিকে সাতজন রোগী পান যাদের উপসর্গ ডেলটার চেয়ে আলাদা ছিল। তবে এই উপসর্গ ছিল ‘খুব মৃদু’। 

এই ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে অ্যাঞ্জেলিক কোয়েটজি জানান, গত ১৮ নভেম্বর তার ক্লিনিকের এক রোগী দুই দিন ধরে ‘অতিরিক্ত দুর্বল’ বোধ করছিলেন। এছাড়া তার শরীরে ব্যথা ছিল। সঙ্গে ছিল মাথা ব্যথা। এই পর্যায়ে ওমিক্রনের উপসর্গ একদম সাধারণ সংক্রমণের মতো।

এরপরই গত ৮ থেকে ১০ সপ্তাহের মধ্যে করোনার কোনো রোগী না পাওয়ায় তারা করোনা পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নেন। রোগী এবং তার পরিবারের সদস্যদের করোনা পজিটিভ ধরা পড়ে। 

ওমিক্রনের মৃদু উপসর্গ দেখা দেয়। বাড়িতেই এর চিকিৎসা নেওয়া সম্ভব বলে জানান অ্যাঞ্জেলিক কোয়েটজি।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ওমিক্রন জানায়, গত ১৪ থেকে ১৮ নভেম্বর দক্ষিণ আফ্রিকার পরীক্ষাগারের নমুনায় প্রথম পাওয়া যায়।

এরপর ২৫ নভেম্বর দক্ষিণ আফ্রিকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ কমিউনিকেবল ডিজিজেস (এনআইসিডি) আনুষ্ঠানিকভাবে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট হিসেবে এটিকে শনাক্তের ঘোষণা দেয়।

পূর্ববর্তী নিবন্ধবিশ্ববাজারে দাম কমলেও দেশে তেলের দাম কমবে না: নসরুল হামিদ
পরবর্তী নিবন্ধহেফাজতের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হিসেবে এসেছেন যিনি

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে